সোমবার , ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. দুর্ঘটনা
  7. নির্বাচন
  8. বিনোদন
  9. মতামত
  10. রাজনীতি
  11. শিক্ষা
  12. শীর্ষ সংবাদ
  13. সাংবাদিক তালিকা
  14. স্বাস্থ্য

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’ বছরে দুবার ফলন ও রপ্তানির স্বপ্নে বিভোর পলাশ

প্রতিবেদক
dailyswadeshtimes
এপ্রিল ১৩, ২০২৬ ১২:০০ অপরাহ্ণ

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ মানেই আমের রাজধানী। এখানকার মাটিতে ফলে হরেক জাতের সুস্বাদু আম। তবে এবার প্রথাগত আমের সীমানা ছাড়িয়ে থাইল্যান্ডের বিখ্যাত ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’ চাষ করে নতুন সম্ভাবনা জাগিয়েছেন সদর উপজেলার আতাহার দক্ষিণ শহর এলাকার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা শ্রী পলাশ কর্মকার। লম্বাকৃতির এই আম কেবল দেখতেই চমৎকার নয়, বিদেশের মতো বাংলাদেশের মাটিতেও বছরে দুইবার ফলন দেওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে।

আতাহার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পলাশ কর্মকারের ১০ বিঘা জমির বিশাল বাগানে থোকায় থোকায় ঝুলে আছে ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’। দেখতে অনেকটা কলার মতো হওয়ায় এর এমন নামকরণ। গত ৫ বছর ধরে আম চাষের সঙ্গে যুক্ত পলাশ এখন তার বাগানে প্রায় ২ হাজার আম গাছ লালন-পালন করছেন। তার বাগানে রুপালি, কাটিমন, বারো-ফোর ও গৌড়মতির মতো দামি জাত থাকলেও সবার নজর কাড়ছে এই বিদেশি জাতটি।
উদ্যোক্তা পলাশ কর্মকার জানান, থাইল্যান্ডের আবহাওয়ায় ব্যানানা ম্যাঙ্গো বছরে দুইবার ফলন দেয়। তিনি তার বাগানেও একই ফলন পাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন। বর্তমানে তার বাগানের কিছু গাছে বড় আমের পাশাপাশি নতুন মুকুলও আসতে শুরু করেছে, যা বছরে দুইবার আম পাওয়ার সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে।

পলাশ বলেন, “এই আম বিদেশি হলেও আমাদের দেশের মাটিতে এটি বাণিজ্যিকভাবে চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আমি চেষ্টা করছি এখানে বছরে দুইবার ফলন নিশ্চিত করতে। এটি সফল হলে আমরা কৃষকরা অনেক বেশি লাভবান হতে পারব।”

তবে কেবল স্থানীয় বাজার নয়, পলাশের লক্ষ্য আরও সুদূরপ্রসারী। তিনি এই আম বিশ্ববাজারে রপ্তানি করার স্বপ্ন দেখছেন। তিনি মনে করেন, ব্যানানা ম্যাঙ্গোর আন্তর্জাতিক চাহিদা প্রচুর। তবে আম রপ্তানির প্রক্রিয়া সহজ করা এবং দীর্ঘ সময় সংরক্ষণের জন্য জেলায় একটি উন্নত হিমাগার স্থাপন করা জরুরি।
তার মতে, “আমি এই আম বিদেশে পাঠিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে চাই। কিন্তু আমের এই রাজধানীতে একটি সরকারি হিমাগার না থাকায় আমাদের অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। একটি হিমাগার থাকলে আমগুলো নষ্ট হওয়ার আগেই আমরা রপ্তানি করতে পারতাম।”

প্রথাগত আম চাষের প্রথা ভেঙে পলাশের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এখন এলাকার অন্য চাষিদেরও অনুপ্রাণিত করছে। যদি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বছরে দুইবার ফলন নিশ্চিত করা যায় এবং রপ্তানির পথ সুগম হয়, তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম অর্থনীতিতে এক নতুন বিপ্লব আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Facebook Comments Box

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযান ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

নড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণ

নড়িয়ার জপসা থেকে যৌথ বাহিনীর অভিযানে উদ্ধার ১৬টি ককটেল

জামায়াত আমিরের টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক: গভীর রাতে থানায় জিডি, সকালে প্রেস ব্রিফিং

জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুনুর রশীদকে সংবর্ধনা দিল পলশা পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি

নাদিম আহমেদ আপেলের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

জায়েদ খানের প্রশ্নের মুখোমুখি হবেন মোনালিসা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এম এম হক আইডিয়াল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ভারতের ওপর শুল্ক যথেষ্ট পরিমাণে বাড়ানো হবে: ট্রাম্প