দৈনিক স্বদেশ টাইমস
বুধবার , ২২ এপ্রিল ২০২৬ | ১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. দুর্ঘটনা
  7. নির্বাচন
  8. নেত্রকোনা
  9. বিনোদন
  10. মতামত
  11. ময়মনসিংহ বিভাগ
  12. রাজনীতি
  13. শিক্ষা
  14. শীর্ষ সংবাদ
  15. শেরপুর

টাঙ্গাইলে ভুঞাপুর থানার এসআই মোঃ লাল মিয়ার নামে হাইকোর্টে মামলা

প্রতিবেদক
dailyswadeshtimes
এপ্রিল ২২, ২০২৬ ২:১৬ পূর্বাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার:
টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর থানায় দায়ের করা একটি মামলাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সালমা বেগমের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে—একটি পুরনো সড়ক দুর্ঘটনাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করে ‘হত্যাচেষ্টা’ হিসেবে উপস্থাপন করে তাকে ফাঁসানো হয়েছে।
মামলার আর্জিতে দাবি করা হয়েছে, তালাকের পর খোরপোশ, মোহরানা ও সন্তানের অধিকার নিয়ে বিরোধের জেরে সালমা তার স্বামীকে ভাড়াটে লোক দিয়ে হত্যার চেষ্টা করান। তবে সালমার পক্ষ এই অভিযোগকে “পরিকল্পিত মিথ্যাচার” ও “বাস্তবতার সম্পূর্ণ বিপরীত” বলে দাবি করেছে।
সালমার পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৩ এপ্রিল তার স্বামী একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। সেই সংকটময় সময়ে সালমাই নিজের ওয়ারিশ সম্পত্তি বিক্রি করে চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করেন এবং তাকে সুস্থ করে তোলেন।
তারা আরও জানান, সুস্থ হওয়ার পর অতিরিক্ত অর্থের চাপ সৃষ্টি করা হলে সালমা তা প্রত্যাখ্যান করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারি তাকে তালাক দেওয়া হয়। তালাকের পর সালমা তার আইনগত অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে খোরপোশ, মোহরানা ও সন্তানের ভরণপোষণ সংক্রান্ত একাধিক মামলা দায়ের করেন।
এরপরই ঘটনার মোড় ঘুরে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। সালমার পক্ষ দাবি করে, প্রতিশোধমূলকভাবে ২০২৫ সালের ২৩ জুন একটি মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে প্রায় এক বছর আগের সড়ক দুর্ঘটনাকে ‘হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা’ হিসেবে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে সময়ের অসামঞ্জস্য নিয়ে।
যে ঘটনার তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০২৪, সেটিকেই ২০২৫ সালে নতুন করে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে দেখানো হয়েছে। সালমার পক্ষের দাবি, “এক্সিডেন্টের চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র ব্যবহার করেই নতুন করে গল্প তৈরি করা হয়েছে।”
তারা আরও বলেন, তালাক ও পরবর্তী মামলাগুলোর পর সালমার সঙ্গে তার সাবেক স্বামী বা শাশুড়ির কোনো যোগাযোগ ছিল না। ফলে শাশুড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ বা পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ বাস্তবসম্মত নয়। তাদের মতে, মামলার আর্জি বিশ্লেষণ করলেই এটি একটি সাজানো মামলা বলে প্রতীয়মান হয়।
এ ঘটনায় তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ভুঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ লাল মিয়া (বিপি নং: ৭৭৯৬০৩৩৫০০) মামলাটিকে ‘সত্যে রূপ দেওয়ার’ ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন—যা স্থানীয়ভাবে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে, সালমা বেগমের পক্ষে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোঃ সাইফুল আলম হাইকোর্ট বিভাগের মেইন ২০ নম্বর কোর্টে এসআই মোঃ লাল মিয়াকে বিবাদী করে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেছেন।
সালমার পরিবারের বক্তব্য, “এটি শুধুমাত্র একটি মামলা নয়—এটি সত্যকে বিকৃত করে একজন নারীকে হয়রানির একটি সুপরিকল্পিত চেষ্টা।” তারা আশাবাদী, আদালত প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।
শেষ কথা:
সময়ের অসামঞ্জস্য, ঘটনার বিকৃতি এবং পুরনো চিকিৎসা নথির ব্যবহার—সবকিছু মিলিয়ে মামলাটি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, আদালতের রায়ের মাধ্যমে কত দ্রুত প্রকৃত সত্য প্রকাশ পায়।

Facebook Comments Box

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

দুর্গম চরাঞ্চলের জন্য ৫৩ বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প, সেবা পেলেন ৭০০ মানুষ

মাদারগঞ্জ-সারিয়াকান্দি ‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’ বাস্তবায়নের দাবিতে বিশাল মানববন্ধন

দেওয়ানগঞ্জে ভাঙ্গার সড়কে ভটভটি উল্টে গরু ব্যাবসায়ীর মৃত্যু।

রায়গঞ্জ  ধানগড়াবাসী, যোগ্য নেতৃত্বের পাশে দাঁড়ানোর সময়

চাঁপাইনবাবগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত

আড়তের ৬০ টাকা বেগুন চাঁদা দিয়ে এসে ঢাকায় ১০০ টাকা

ট্রমা কাটাতে শিক্ষার্থীরা চাইলে মাইলস্টোনের যে কোনো শাখায় বদলি হতে পারবে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী পথসভা ও লিফলেট বিতরণ

জায়েদ খানের প্রশ্নের মুখোমুখি হবেন মোনালিসা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনে  বিএসটিআই কর্মকর্তারা