রায়গঞ্জ ধানগড়াবাসী, যোগ্য নেতৃত্বের পাশে দাঁড়ানোর সম এখনই
রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সবসময় প্রতিপক্ষের শক্তি নয়; কখনো কখনো যোগ্য ও সাহসী নেতৃত্বকে দুর্বল করে দেওয়ার অপচেষ্টাও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
ধানগড়ায় শক্তিশালী, বলিষ্ঠ ও যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে উঠতে না দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মহল নানা পরিকল্পনা করছে—এমন আলোচনা এখন স্থানীয়ভাবে শোনা যাচ্ছে। এসব আলোচনা সত্য হলে এর সবচেয়ে বড় ক্ষতি হবে সাধারণ জনগণের।
মোক্তাদীর, তমালের মতো উদীয়মান তরুণরা যদি সততা, সাহস, যোগ্যতা ও মানুষের পাশে থাকার মানসিকতা নিয়ে সামনে এগিয়ে আসেন, তাহলে তাদের রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে দেওয়ার যেকোনো অপচেষ্টা ধানগড়ার ভবিষ্যতের জন্য শুভ হবে না।
আমরা মরহুম নুর সাঈদ সরকারের মতো নেতৃত্বকে স্মরণ করি—যে নেতৃত্ব ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছিল। ধানগড়ায় এমন নেতৃত্ব তৈরি হলে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পক্ষে ইচ্ছেমতো এলাকার রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না।
সাম্প্রতিক TTC ভবনকে ঘিরে ঘটনাপ্রবাহও আমাদের একটি শিক্ষা দিয়েছে—জনগণ ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন না থাকলে স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহল পরিস্থিতির সুযোগ নিতে পারে।
তাই ধানগড়াবাসীর প্রতি আহ্বান— জানান হয়
ব্যক্তির পেছনে নয়, যোগ্যতার পক্ষে দাঁড়ান।
গোষ্ঠীর পেছনে নয়, জনগণের স্বার্থের পক্ষে দাঁড়ান।
লোভ-লালসার রাজনীতি নয়, ত্যাগ ও আদর্শের রাজনীতিকে বেছে নিন।
যে তরুণের মধ্যে সততা, সাহস, যোগ্যতা এবং মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতা রয়েছে—তাকে রাজনৈতিক বিভাজন বা অপপ্রচারের মাধ্যমে পিছিয়ে না দিয়ে সামনে আসার সুযোগ দিন।
মনে রাখবেন— উচিত সকলের
আজ যদি যোগ্য নেতৃত্বকে দাঁড়াতে না দেন, আগামীকাল অন্য কেউ আপনার হয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
ধানগড়ার পৌরসভা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়।
এটি ধানগড়ার মানুষের প্রতিষ্ঠান।
এখানে নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে জনগণের আস্থা, যোগ্যতা, সততা ও ত্যাগের ভিত্তিতে—কোনো বাইরের মহলের পরিকল্পনায় নয়।
ধানগড়াবাসী, এখনো সময় আছে।
চক্রান্তকে নয়, যোগ্য নেতৃত্বকে শক্তিশালী করুন।
ব্যক্তিস্বার্থকে নয়, ধানগড়ার ভবিষ্যৎকে প্রাধান্য দিন।
ধানগড়ার নেতৃত্ব—ধানগড়াবাসীই ঠিক করবে।
কোনো বাইরের মহল নয়।

















