অনলাইন ডেক্স- স্বদেশ টাইমস
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে নদী থেকে মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকায় নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়। কয়েকদিন আগেই স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় ফোরকান মিয়ার নাম সামনে আসে। সেই ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি ফোরকান মিয়ার। তিনি গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা এলাকার বাসিন্দা। মরদেহ উদ্ধারের পর পরিচয় নিশ্চিতের কাজ শুরু হয় এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।
এর আগে শনিবার (০৯ মে) সন্ধ্যায় নিহত শারমিন খানমের বাবা মো. সাহাদৎ মোল্লা কাপাসিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ফোরকানকে প্রধান আসামি করা হয়। পাশাপাশি আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসে, শুক্রবার রাতে ভাড়া বাসায় পরিবারের সদস্যদের খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে গভীর রাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একে একে হত্যা করা হয় পাঁচজনকে।
নিহতদের মধ্যে ছিলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন খানম (৩৫), তাদের তিন মেয়ে মিম (১৪), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া (১৮)। ঘটনার পর থেকেই ফোরকান লাপাত্তা ছিলেন।
শনিবার সকালে প্রতিবেশীরা ঘরের ভেতর রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের পর কাপাসিয়াজুড়ে আতঙ্ক ও শোকের আবহ তৈরি হয়েছিল।



















