উপজেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ রুহুল আমিন,বদলগাছী (নওগাঁ)
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বেগুনজোয়ার দ্বী- মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে আজ ১৮/০২/২০২৬ইং চাঞ্চল্যকর একটি ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীরা জানায়, দুইদিন আগে এক শিক্ষার্থীর সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক মেসেঞ্জারে প্রেমের প্রস্তাব এক অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে দেয় স্কুলের পিয়ন মোঃ সৈকত হোসেন। একটি নয়, একে একে কয়েকটি শিক্ষার্থীর (ছাত্রী) সঙ্গে এই ঘটনা ঘটায় পিয়ন মোঃ সৈকত হোসেন। আরও জানা যায় তিন মাস আগে একই ঘটনা ঘটায় এই স্কুলের হেডমাস্টার। পরে নদী সাঁতরিয়ে জীবন বাঁচিয়ে পালিয়ে যায়। আজ ১৮/০২/২০২৬ইং আবারও মোঃ সৈকত হোসেন একই ঘটনা ঘটায়। ফলে স্কুলে উপস্থিত হওয়ায় স্কুলের উপস্থিত সকল ছাত্ররা ও স্থানীয় জনতার হাতে মারধরের শিকার হন তিনি। কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জনাব ইসরাত জাহান ছনি ও অফিসার ইনচার্জ মোঃ লুৎফর রহমান কৃষিবিদ, সাবাব ফারহান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানায়, পিয়ন মোঃ সৈকত হোসেন কে বহিষ্কার করা হয়। অবিভাবকরা জানায় একই স্কুলে বার বার একই ঘটনা ঘটলে আমাদের ছেলে-মেয়েদের আমরা কিভাবে পড়াশোনা করাবো। আরও জানায় এই স্কুলের সকল শিক্ষকদেরকে অন্য কোথাও ট্রান্সফার করে নতুন শিক্ষক নিয়োগ না করলে নিরাপদ ও সু-শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে না শিক্ষার্থীরা। আর এরকম যদি চলতে থাকে তাহলে ভবিষ্যতে আরও খারাপ কিছু ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসীসহ অবিভাবকবৃন্দ। উক্ত বিষয়টি প্রশাসনকে গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখার আহব্বান জানায়। ভবিষ্যতে এরকম নোংরামি কাজ যেনো কেউ না করতে পারে এ বিষয়ে আইনের কঠোর থেকে কঠোরতম পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানান এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
বি:দ্র: ইতিপূর্বে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক গোপন ক্যামেরায় ধারণকৃত ছাত্রীদের সঙ্গে প্রধান শিক্ষক তার রুমে ডেকে নিয়ে শীলতা হানির চেষ্টা করে। পরবর্তীতে সেই ভিডিও চিত্র ভাইরাল করে দিব বলে সেই ছাত্রীদেরকে বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি দেখিয়ে ভয় ভীতি দেখিয়ে অবৈধ সম্পর্কের লিপ্ত হওয়ার জন্য বাধ্য করতেন। প্রকাশ থাকে যে, ওই স্কুলেরই সহকারী শিক্ষিকাকে একইভাবে ফাঁদে ফেলে তার সিলতা হানি বা তার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয়েছিল। সেইসব ছাত্রীদের অভিভাবকরা আইনী আশ্রয় গ্রহণ করলে সেই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশাসন তদন্ত করেন এবং ঘটনার সত্যতা বেরিয়ে আসে। প্রধান শিক্ষককে সম্পূর্ণরূপে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।



















